হারাধন কর্মকার রাজস্থলী।
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া নাইক্যছড়া আগাপাড়া দৃষ্টি নন্দন বৌদ্ধ বিহারটিতে টানা বৃষ্টিতে পাশের পাহাড়ের মাটি ধসে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে এবং পাহাড়ের নিচে থাকা ডিপ টিওয়বয়েল ও একেবারে মাটির নিচে চাপায় পড়েছে। ধস ঠেকাতে আপাতত সাদা পাতলা পলিথিন বিছিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত উ. খেমাচারা মহাথের। একটি বৃষ্টি হলেই বিহারের পাহাড়ের মাটি গুলো রক্ষা করতে এলাকাবাসী যে যেভাবে পারেন সেভাবেই চেষ্টা চালিয়ে যায় তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা বড় দায়। বিহারটি ১৯৫৭ ইং সনে স্থাপিত হয়। বিহারটিতে তেমন মোটা অংকের টাকাও নেই যে নিজস্ব অর্থায়নে একটি লম্বা ওয়াল নির্মাণ করার মতো।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বিহারটি পরিদর্শন করেছেন। জানা যায় বাঙ্গালহালিয়া আগাপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ অনাথালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এবং মায়ানমার সরকার কতৃর্ক মহাসদ্ধর্ম জ্যোতিকা ধ্বজা উপাধি প্রাপ্ত, পরম পূজনীয় গুরুভান্তে উ. খেমাচারা মহাথেরের প্রতিষ্ঠান নাইক্যছড়া আগা বৌদ্ধ বিহারের নবনির্মিত দ্বিতালা বিশিষ্ট ভবন স্বর্ণ বিহারটি সরকারি বরাদ্দ ও তিন পার্বত্য জেলা সহ দেশ বিদেশের দায়ক – নায়িকাদের অনুদানে প্রায় দুই কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত হয়।পাহাড়ের উপরে নির্মিত স্বর্ণ ক্যংটি উপজেলার মধ্যে একটি দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ বিহার। বিহারটি দেখতে দৈনিক তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্রগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ধর্মীয় গুরু ও দায়ক -দায়িকাগণ দর্শন করতে আসেন।দুঃখের বিষয় টানা বর্ষণে বিহারের পাশে মাটি ধসে গিয়ে বিহারটি যে কোন সময় ধসে পড়তে পাড়ে। বিষয়টি পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল এমপি ও স্থানীয় মাননীয় সংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী ।