Logo
শিরোনাম
২৯ এপ্রিল নিহতদের স্মরণে গোমাতলীতে দোয়া ও স্মরন সভা সম্পন্ন পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে চলতি মৌসুমেই বোরোধান চাষীরা চরম বিপাকে পটিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে সিএনজি সমবায় সমিতির লাইনম্যান নির্বাচন সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে এক ব্যেক্তির মরদেহ উদ্ধার ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে দূর্ঘটনায় আহত ২  স্বস্তির বৃষ্টি, বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা,ভোগান্তিতে ঈদগাঁও বাজারবাসী পোকখালীতে বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের টাওয়ারে চুরি, অবকাঠামো ধ্বংস ঈদগাঁও স্টেশনে সওজের জায়গা দখল করে সিড়ি নির্মাণ, নানান শ্রশ্নের সৃষ্টি ঈদগাঁও উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন

বাঘাইছড়িতে ধসে পড়ল নির্মাণাধীন সেতুর গার্ডার, আহত ২

ডেস্ক নিউজ: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার কাচালং নদীর উপর নির্মিত ৪০৯ ফুট দৈর্ঘের সেতুটির গার্ডার দ্বিতীয় বারের মতো বিকট শব্দে ভেঙ্গে পড়েছে। এতে মোঃ ইউছুফ ও মোঃ সবুজ নামে দুই নির্মান শ্রমিক আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়। আহত দুইজনের বাড়িই জামালপুর। দুর্ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার (১৫ মার্চ) রাত ৯ টায় গার্ডারগুলো ধসে পরে। ১১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারী এই সেতু তৈরির কাজ শুরু করে। ২০১৯ সালের ১ম জানুয়ারী কাজ বুজিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও কুমিল্লা জেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স দীর্ঘ ৫ বছরেও কাজ শেষ করতে পারেনি। কাজের শুরু থেকেই সেতুটিতে নিম্ন মানের সামগ্রীর ব্যবহারের বার বার অভিযোগ জানিয়েও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় কোন সুফল পায়নি স্থানীয়রা। ফলে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে সেতু তৈরির কাজ। ফলে বারবার একই ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে গার্ডার। ফলে এই সেতুটির কাজ কবে শেষ হবে উত্তর জানেনা কেও।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, এটি একটি দূর্ঘটনা। শ্রমিকরা রাতে কাজ করার সময় একটি গার্ডার কাত হয়ে পরে এবং একটি রেডি গার্ডার নিচে ধসে পড়েছে। সেন্টারিংয়ের কোনো সমস্যার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগেও একবার গার্ডারটি ভেঙে পড়ে।

এদিকে, সারাদেশের সাথে উপজেলার সড়ক যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সেতুটিতে এত অনিয়ম ও নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ পরিলক্ষিত হচ্ছে। একই ঘটনার বার বার পুনরাবিত্তি হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সড়ক জনপদ বিভাগককে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিতেও দেখা যায়নি। এতে অনেকেই মনে করছেন শস্যের মধ্যেই ভূত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!