মংহাইসিং মারমা বান্দরবান
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৬) এর সার্বিক সফলতা কামনায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে এবং এসআইডি-সিএইসটি-ইউএনডিপি এর সহযোগিতায় বান্দরবান মুক্ত মঞ্চের সামনে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১২নভেম্বর) সকাল ১০টায় শহরের মুক্ত মঞ্চের সামনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন,Save Nature,Save Life ইত্যাদি স্লোগান সমৃদ্ধ ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে সম্মেলনে বিভিন্ন বে-সরকারি সংস্থার কর্মীরা অংশ গ্রহণ করে।
এ সময় জেলা পরিষদ প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ,জেলা কর্মকর্তা সিএইসটিডব্লিউ সিএ রামবাদু ত্রিপুরা(স্টিভ) ,জেলা পরিষদে ডব্লিউজি ই ই এস ম্যাগডেলিন ত্রিপুরা, জেলা কর্মকর্তা ডব্লিউজি ই ই এস সিং ম্যা প্রুসহ জেলা কর্মকর্তা পরিবেশ বাদি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ারসহ সর্বসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
বিগত ৩১শে অক্টোবর থেকে বৈশ্বিক নেতৃত্ব,জলবায়ু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাধারণ অধিকার কর্মীরা কপ-২৬ উপলক্ষে গ্লাসগো শহরে একত্রিত হয়েছেন যেন প্যারিস চুক্তি মোতাবেক বিভিন্ন ধরনের দাবী,প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কর্মপন্থা নির্ধারণ সম্ভব হয়।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পৃথিবী এক বিপদজনক সময় পার করছে কেননা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এমন একটি অবস্থায় পৌছেছে যেখান থেকে ফিরে আসতে হলে পৃথিবীকে এবং বিভিন্ন দেশগুলোকে জলবায়ু চুক্তির আওতায় যেসকল শর্ত ও সহায়তা প্রদান করার কথা হয়েছে তা মানতেই হবে অথবা বৈশ্বক বিলুপ্তির ঝুঁকি নিতে হবে। তারা বলেন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার বিশ্ববাসীর নিকট তার জাতীয়ভাবে স্থিরকৃত অবদান পুনঃমূল্যায়ন উপস্থাপন করেছে,যেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ২০১৫ সালের তুলনায় ১৫ ভাগ কার্বন নিঃসরন হ্রাস করবে।
এছাড়াও বাংলাদেশ মুজিব ক্লাইমেট প্লান উপস্থাপন করেছে,যেখানে বিদ্যুৎ//শক্তি উৎপাদনের ৪০ ভাগ নবায়নশীল শক্তির উৎস থেকে সংগ্রহ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই এসকল ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮ টি দেশের পক্ষে দাবী উপস্থাপন করেছে এবং বাংলাদেশ সেখানে অভিযোজন এর ক্ষেত্রে অনুকরণীয় বৈশ্বিক রোল মডেল হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
বক্তারা পার্বত্য জেলায় নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে পাহাড় কাটা,গাছ কাটা এবং পাথর উত্তোলনের তীব্র বিরোধিতা করেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সকল জনসাধারণের প্রতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয় সম্মেলনে। যদি এখনি বন,পাহাড়,পাথর,প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে এর বিরুপ প্রভাব পড়বে পরিবেশের উপর।যা পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের জন্য শুভকর হবে না।পরিবেশ রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি