নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
গরম পড়তে না পড়তেই শুরু হলো ঈদগাঁওতে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং। ফলে, চরম পযার্য়েই বিপাকে পড়েন ব্যবসায়ীসহ সাধারন গ্রাহকরা।
জানা যায়, ব্যস্তবহুল বানিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত ঈদগাঁও বাজার। এই বাজারে বিদ্যুৎ বিভ্রান্ট চরমে উঠেছে। দেখার যেন কেউ নেই।
বাজারে বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কম্পিউটার,ফটোকপি,প্রিন্ট সহ অসংখ্য ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ যত ক্ষণ থাকবে,ততক্ষণ তাদের আয়ের চাকা ঘুরবে
আধাঘন্টাও বিদ্যুৎ স্থায়ী হচ্ছেনা।
এছাড়াও বাজার কেন্দ্রীক ৫/৬টি হাসপাতাল ও এক্স-রে,প্যাথলজি সেন্টার ও ডেন্টাল চিকিৎসা লয় রয়েছে। এসব স্থানে ফ্রিজগুলোতে দামী ইন জেকশন রয়েছে। রোগীর সেবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও রয়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারনে হাসপাতালের জিনিসপত্র নষ্ট হওয়ার উপক্রম শুরু হয়। অন্যদিকে ঈদগাঁও উপজেলা আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লাজুড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ীতে ফ্রিজ, রাইসকুকার, মটরসহ বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল বহু জিনিস রয়েছে।
মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে ফলে ফ্রিজে রক্ষিত মাছ-মাংস ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
অপরদিকে মসজিদে নামাজরত মুসল্লীরা চরম বিপাকে পড়েছে। স্কুল মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী রা লেখাপড়া নিয়ে বেকায়দায় পড়েন। সে সাথে আসন্ন এসএসসি-দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যুৎতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারনে হিমশিম পড়েছেন।
পবিস সূত্র মতে, জেনারেশন কম থাকার কারনে ঈদগাঁও ৩৩ কেভি ফিডার (ঈদগাঁও-বাইশারী- খুরুষ্কুল উপকেন্দ্র) এ চাহিদা ২৪ মেগাওয়াট বরাদ্দ ১২ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ১২ মেঃওঃ। জেনারেশন কম থাকার কারণে যেকোন সময় ঢাকা হতে এনএলডিসি কর্তৃক যেকোন উপজেলার বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন (৩৩ কেভি) বন্ধ করা হচ্ছে। সকলকে ধৈর্য্য ধারন করার অনুরোধও জানানো হয়।
ব্যবসায়ী নাছির উদ্দীন জানান,সম্প্রতি কয়দিন ধরে ঈদগাঁও বাজারসহ আশপাশ এলাকায় দৈনিক ৬/৭ বারেরও অধিক বিদ্যুৎ লোডশেডিং চলছে। ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে বেকায়দায় রয়েছি।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি