আমিনুল ইসলাম:নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির কঠোর তৎপরতার পরও থামছেনা গরু পাছার।
পাশের গর্জনিয়া বাজারে গুরে দেখা মিলে ব্যাপক গরুর হাড় শত শত মিযানমারের গরু যতে ধেদারছে বেচা বিকৃ হচ্ছে যাতে স্তনীয় কোন প্রশাসনের তৎপরতা নেই বল্লেছলে।
বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টা থেকে জমজমাট বেছা কেনা চলছে স্তানিয়রা জানান প্রশাসনের সম্মিতে এটি ছলছে।
এদিকে
নাইক্ষ্যংছড়ি জোন সদরের দায়িত্ব পূর্ণ রামু উপজেলার ক্চছপিয়া ইউনিযনের ফাকৃকাটা নামক জায়গা থেকে
বিজিবি কর্তৃক মালিক বিহীন। বেশ ক টি বার্মিজ গরু উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি সূত্রে।
অভিযোগ রযেছে সিমান্তের ফুলতলি, ভাল্লুক খাইযা জামছড়ি,নিকোছড়ি সিসান্ত দিযে সিমান্তে ভিজিবির চোখ ফাকি দিযে এসব গরু বাংলাদেমের অভ্যান্তরে নিযে আসছে চোরা কারবারিরা। সম্প্রতি এসব কাজ করতে গিযে সিমান্তে মাইন বিস্পরনে মারাত্মক আহত এক মাসে ৩ জন।
সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের কিছু দুর্গম জায়গা দিয়ে বিজিবির চোখকে ফাঁকি দিয়ে চোরাকারবারিরা রাজস্ব বিহীন অবৈধ গরু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এনে গর্জনিয়া বাজারে বিভিন্ন ভাবে ঢুকিয়ে টাকার বিনিময়ে ইজারা দারদের
রশিদ ক্রয় করে বৈধতার প্রাইমারি খেতাব নিয়ে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাজার জাত করছে করে আসছে।
এই অবৈধ গরুর বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি দিন রাত তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে রাজস্ব বিহীন এইসব অবৈধ গরুর ব্যাপকতা রোধে।
তবে স্থানীয় গর্জনিয়া পুলিশ ফাড়ির অবৈধ মিয়ানমারের গরুর বিরুদ্ধে অভিযান তেমন দৃশ্যমান নয় বলে জানান স্থানীয় অনেকে।
স্তানিয় সূত্রে জানা জায় এসব অবৈধ গরু পাচারে ব্যাবহার করা হচ্ছে রামু নাইক্ষ্যংছড়ির অনেক সাধারন মানুষ কে
এসবের নিরাপদে পাচারে সহযায়ীতা করছে রামুর কচ্ছপিযা গর্জনিয়া,নাইক্ষ্যংছড়ির কযেক ইউনিযের
জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জড়িত।
এছড়া পাচার কাজে সোনাইছড়ির জারুলিয়াছড়ি সড়ক ঘুমধুমের বিভিন্ন পযেন্টে দিযে নিয়মিত,এবং বাইশারি গহিন পাহাড়ি রাস্ত দিযে সশস্ত্র পাহারায়
গরুর চালান যাচ্ছে বলে এলাকা বাসি জানান।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি