• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ইযাবার শ্রোত থামাবে কে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার রামু পূর্ব সীমান্তের নিউজ ডেক্সের আত্মপ্রকাশ, সভাপতি হামিদুল হক মার্শাল -সেক্রেটারি শাহাব উদ্দিন সিকদার তথ্য ভিত্তিক ওয়েবসাইট “ঈদগাঁও সিটি ডটকম” এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা ঈদগাঁওতে কোরবানির পশুর চামড়ার প্রত্যাশিত দাম নেই : বিপাকে বিক্রেতারা ঈদগাঁওতে সমাজ প্রথায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, প্রত্যেক ঘরে কোরবানি মাংস ঈদগাঁওতে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা ও দোয়া মাহফিল উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা বলেন… ঈদগাঁও উপজেলা ঘোষনা হলেও নানান সুবিধা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কেশবপুরে

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঈদগাঁওর কামার পল্লীতে কর্মব্যস্ততা

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও 

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কুরবানের ঈদ। এটিকে সামনে রেখে ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাহিদা বেড়েছে পশু জবাই এবং মাংস কাটার সরঞ্জামের। এটির চাহিদা পূরণে ব্যস্ততা বেড়েছে নানা কামারের দোকানগুলোতে। আধুনিক যন্ত্রাংশে প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চলছে। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করেছেন কামার সম্প্রদায়। 

কামার কারিগররা জানান, বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম বেশি। তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। কয়টা দিন পরই মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হবে। তাই এ উৎসবকে ঘিরে কামারদের কর্মব্যস্ততা বাড়লো অনেক। কাজের চাপে যেন দম ফেলার সুযোগও নেই টুংটাং শব্দে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজেকর্মে মগ্ন কামারেরা। তাদের ব্যস্ততা ঈদুল আজহার দিন সকাল পর্যন্ত থাকে। 

ঈদগাঁও বাজারের ইউপি পরিষদ সংলগ্ন কামার পল্লী, বংকিম বাজারসহ নানা স্থানে গিয়ে দেখা যায়, লোহার তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম বানাচ্ছেন কামারেরা। এই লোহা কিনে এনে তৈরি করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।এক কামার জানান,সারা বছরের মধ্যে কুরবানি ঈদেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। লোহা এবং কয়লার দাম বেশি তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। বছরজুড়ে কুরবানের এ সময়ের অপেক্ষায় থাকি

আরেক জনের মতে, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারাদিন আগুনের পাশে বসে থেকে কাজ করতে হয়,ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। কামার পল্লী এলাকার এক বিক্রেতা জানান, নতুন দা বিক্রি করে থাকি ৫শ / ৬শত টাকা,ছুরি ছোট বড়, মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। আবার বটি, দা ও ছুরি শান দিতে আসলে তা দেখে টাকা নেয়া হয়।

লোহা শিল্পের দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধি,দিন দিন নিত্যপণ্য সামগ্রী ক্রয় দাম বৃদ্ধি,ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা, সাংসারিক ঘানি টানতে চরম বিপাকে পড়েছেন কামারেরা। এমন মন্তব্য সচেতম মহলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা