• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
ঈদগাঁও বাজারে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা বান্দরবানে প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি আধুনিক হিমাগার নির্মাণের জন্য সরকারি বরাদ্দ ১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বান্দরবানে সেনাবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপে চোখের আলো ফিরে পেল এক শিশু প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন বক্তরা,,,,  দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন। রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমাকে প্রসাশনের  পক্ষ থেকে হস্তান্তর,, কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে এক নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার জালালাবাদে নিহত হামিদের পরিবারে খোঁজ নিলেন ইঞ্জিনিয়ার মো: শহিদুজ্জামান নাইক্ষ্যংছড়ির জারুলিয়াছড়িতে মালিক কে ফাঁসাতে আশ্রয় নেওয়া ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ। নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩৪ বিজিবির অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার ঈদগাঁওতে সুবিধা বঞ্চিতদের বিনামূল্যে একবেলা খাবারের ঘোষনা মনিরের

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপে চোখের আলো ফিরে পেল এক শিশু

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক :
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার অত্যন্ত দুর্গম রৌনিনপাড়ায় এক পাহাড়ি শিশুর চোখের জটিল চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তায় একটি সম্ভাব্য অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু। রৌনিনপাড়ার বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বমের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে দীর্ঘদিন ধরে চোখের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিল। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানো সম্ভব না হওয়ায় এবং উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে অক্ষম হওয়ায় শিশুটির চোখের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা না করালে শিশুটি চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। লাল খম লিয়ান বম তার ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় অর্থাভাবে ছেলের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারছিলেন না।

এই নিরুপায় অবস্থায় গতকাল বুধবার (০৩ জুন ২০২৬ ইং) তিনি রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের গুরুত্ব ও মানবিক দিক বিবেচনা করে সেনাবাহিনী অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সাড়া দেয়। ক্যাম্পের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, সেনাবাহিনীর বিশেষ তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে চক্ষু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে শিশুটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে শিশুটির চোখ বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। সন্তানের চোখের আলো ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখে লাল খম লিয়ান বম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।উল্লেখ্য: যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। চিকিৎসা সেবা প্রদান, শিক্ষা সহায়তা, খাদ্য সংকটে ত্রাণ বিতরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সেনাবাহিনীর এই মানবিক কার্যক্রম দুর্গম পাহাড়ের মানুষের আস্থা ও ভরসার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান তারা ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা