নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এখন রেলক্রসিং সতর্ক সংকেত না থাকায় ঝুঁকিতে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। দীর্ঘসময় ধরে স্বপ্নের ট্রেন আসা যাওয়া করছে। রেল সড়ক পারাপারে আতঙ্কে শিশু-কিশোর,বয়োবৃদ্ধ ও নারী-পুরুষরা। এপার ওপার পারাপার হয়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন আসা-যাওয়া করছেন, তেমনি ব্যবসায়ী-চাকরিজীবী,কর্মজীবী ও বাজারমুখী কিংবা কর্মের সন্ধানে ছুটে যাচ্ছেন লোকজন।
জানা যায়, চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেল সড়কের ইসলামাবাদ রেলওয়ে স্টেশন গত ২ জুন থেকে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধে ট্রেন আসার আগ মুহুর্তে লাল ও সবুজ সিগন্যাল বাতি না জ্বলায় চরম ঝুঁকিতে রয়েছে সড়কে চলাচলরত নারী-পুরুষ,শিক্ষা্থী,ব্যবসায়ীসহ যানবাহন।
ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদের রেলওয়ে ক্রসিং পার হয়ে লোকজন প্রতিনিয়ত চলাচল করে যাচ্ছে। টেকপাড়া,পাহাঁশিয়াখালী,ইছাখালী পোকখালী,গোমাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় কাজকর্মেই ছুটে যাচ্ছে মানুষরা। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই আনুমানিক ৬/৭ হাজারের মত নানা শ্রেনী পেশা লোকজন আসা যাওয়া করে থাকে। বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা আর চরম আতংক নিয়ে রেল ক্রসিং পারাপার করে যাচ্ছেন। দেখার যেন কেউ নেই।
প্রাপ্ত তথ্য জানা যায়, অপারেপশনাল কার্যক্রম বন্ধ মানে- টিকেটম্যান ছাড়া সবকিছু বন্ধ। রেলক্রসিংয়ে গেইটম্যান নেই ও সিগন্যাল বাতি জ্বলেনা। রেলওয়ে স্টেশন পাশ্ববর্তী রেলক্রসিং পারাপারে লোকজন অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন আসা যাওয়ার তেমন নিয়নমীতি নেই, ক্রসিং পারাপার কালীন সিগন্যাল লাইটও জ্বলেনা।
সচেতন মহলের মতে, কোটি টাকায় নির্মিত ঈদগাঁও উপজেলার একমাত্র রেল স্টেশন হচ্ছে ইসলামাবাদ। অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ পরবর্তী দ্রুত চালু করে যাত্রী ও রেলক্রসিং পারা পারে লোকজনকে ঝুঁকিমুক্ত করনে ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্বর্তন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-নজর দাবী করেন।