নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যানবাহন পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। আন্ত: জেলা,লোকাল ও মিনি-বাসগুলো যত্রতত্রে থামায় প্রতিদিন বাজার এলাকায় তীব্র যানজট দুর্ঘটনার ঝুঁকিসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। আইন থাকলেও তা বাস্তবায়ন নেই।
ফুটপাত, জনপথ এবং বাজারসংলগ্ন সড়কের ধারে মিনি বাসগুলো নিজেদের মতো ‘স্ট্যান্ড’ তৈরি করেছে। এতে অন্য যানবাহনের চলা চল ব্যাহত হচ্ছে, বিশেষ করে রিক্সা ও টমটমগুলোর কারণে মহা সড়কে চলাচল আরও জটিল হয়ে পড়ে।
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটের যাত্রীরা ঈদগাঁওতে নামতে বা উঠতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড না থাকায় রাস্তার যেকোন স্থানে বাস থামানো হয়, যার ফলে দীর্ঘ লাইনের যান জট,যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনতা এবং সময় নষ্ট হয়। একটি উপযুক্ত স্থানে বাসস্ট্যান্ড স্থাপন করলে দূরপাল্লার যাত্রীদের এই ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে।
ঈদগাহ কেজি স্কুলের সামনে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ব্যস্ত সড়ক পার হয়। জেব্রাক্রসিং,সিগন্যাল বা যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। স্কুলের সামনে একটি জেব্রা ক্রসিং ও সিগন্যাল স্থাপন এখন সময়ের দাবি।
চালকদের আইন মানতে বাধ্য করা ও নিয়মিত ট্রাফিক মনিটরিং, প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধিও প্রয়োজন।
বাস মালিক-শ্রমিক সংগঠন ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সচেতন মহল জানান,ঈদগাঁও বাস স্ট্যান্ডে গণপরিবহনে জন্য কোন নিদিষ্ট টার্মিনাল নেই। মহাসড়কের উভয় পাশে বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামার জন্য আলাদা লাইন করা গেলে জ্যাম নিরসনসহ সড়কে শৃঙ্খলা আসতে পারে।