• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
Headline
ছাত্রদের ফ্রি পাঠদানের ঘোষণা…….. জালালাবাদের আন-নুর মডেল হেফজখানার  পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজ ইসলামাবাদ অংশে চলছে ঈদগাঁওতে শিল্পোদ্যোক্তা মনজুরুল হক চৌধুরীর জানাযায় শোকার্ত মানুষের ঢল দুর্নীতির মামলায় ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার ২০ বছরের কারাদণ্ড, কার্যকর সাজা ১০ বছর ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের–সাদ্দাম হোসেনের কল রেকর্ড উপস্থাপন, ‘মারো না কেন’ মন্তব্যে উসকানির অভিযোগ কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে পটিয়ায় র‍্যাবের অভিযান: এক লাখ ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের পাশে ব্র্যাক নাইক্ষ্যংছড়িতে-১১ বিজিবির অভিযানে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার জালালাবাদ মাইজ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক সভা ও চারা বিতরন

ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের–সাদ্দাম হোসেনের কল রেকর্ড উপস্থাপন, ‘মারো না কেন’ মন্তব্যে উসকানির অভিযোগ

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিনে একটি কল রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, উপস্থাপিত অডিওটি ওবায়দুল কাদের ও তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের মধ্যকার কথোপকথনের রেকর্ড।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এটি প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হয়।
আদালতে উপস্থাপিত অডিওতে শোনা যায়, সাদ্দাম হোসেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি, সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরকে অবহিত করছেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ওবায়দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, “তোমরা কিছু করো না কেন? মারো না কেন ওদের? চড়াও হতে দাও কেন ওদের?”
জবাবে সাদ্দাম হোসেন জানান, তাদের এমন পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করা হয়েছে। তখন ওবায়দুল কাদের বলেন, “তোমরা বললা আজকে থেকে হালকা হয়ে যাবে সব। কই হালকা হইল? জমায়েত মানে এখানে জামায়াত আর বিএনপি যোগ হইছে।”
কথোপকথনের একপর্যায়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার নির্দেশ পেলে তারা তা করতে পারবেন। তবে সেদিন শাহবাগমুখী হওয়া বা আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি না হওয়ার জন্য পুলিশ এবং ‘বিপ্লব দা’র পক্ষ থেকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের জানান, ২০২৪ সালের ১১ জুলাইয়ের ওই কথোপকথনের রেকর্ডটি সিআইডি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধীনস্থ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে “পিটাও না কেন ওদের, মারো না কেন, বাড়তে দাও কেন”— এ ধরনের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে স্পষ্টভাবে উসকানি (Incitement) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিমের ভাষায়, “সামনে বলছেন প্রতিরোধ, কিন্তু ফোনে এবং কার্যকরভাবে উনারা আসলে প্রতিরোধ না, আক্রমণের কথাই বলেছেন।”
রাষ্ট্রপক্ষের এই বক্তব্য ও উপস্থাপিত কল রেকর্ড মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে বিবেচনাধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা