• বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
Headline
বিলাইছড়িতে বন্যায় কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন — এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাইক্ষ্যংছড়ি তে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর ত্রাণ বিতরণ রাজস্থলীতে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। ঈদগাঁও বাজারে ফুটপাত দখল, যানজটে বন্দি : লোড-আনলোড বন্ধে মাইকিং  মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ২ ফারুয়া  ইউনিয়নে বন্যা দুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ করল উত্তম ও তার বন্ধুমহল বিলাইছড়িতে পরিবার পরিকল্পনা অফিস  কর্তৃক স্কুল হেল্থ প্রোগ্রাম পরিচালিত নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুযায় বন্যা দুর্গতদের খাদ্য  সহায়তা প্রদান ও ড্রোনে উপস্থিতি পর্যাবেক্ষেণ দীর্ঘকাল ধরে দখল-ভরাটে বন্দি ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার খালটি খনন দাবী এলাকাবাসীর

দীর্ঘকাল ধরে দখল-ভরাটে বন্দি ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার খালটি খনন দাবী এলাকাবাসীর

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

দখল ও ভরাটে বন্দি ঈদগাঁওয়ের ভরাট (বাইন্যা) খালটি। দীর্ঘকাল ধরে দেখার কেউ না থাকার খালের উপর ঘরবাড়ীসহ দোকানপাঠ নির্মানের হিড়িক অব্যাহত রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে খালের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ার আশংকা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদগাঁও উপজেলার সদর ইউনিয়নের বৃহত্তর মাইজ পাড়ার গ্রামীন খালটি এখন ভরাখালে পরিণত হয়ে পড়েছে। এ খাল দিয়ে একসময় পাল তোলা নৌকা চলাচল করত। বর্তমানে খালের অস্তিত্ব বিলুপ্তির পথে। কালের পরিক্রমায় সে খালের বুকে এখন পাকা-আধা-পাকা দালানে সমারোহ। দখলের থাবায় খাল এখন নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে। খালটি খননের মাধ্যমে স্বচলের দাবী।

আরো দেখা যায়, ঈদগাঁও মেহেরঘোনা জলনাসী যেটি উত্তর-মধ্যমসহ দক্ষিন মাইজপাড়া হয়ে চৌফলদন্ডীর বুকচিরে মহেশখালী চ্যানেল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিলিত হয়। এখন সে চিরচেনা বৃহৎ এলাকার খালটি নানাভাবে বেদখলে। কেউ করে খালের পাশ ঘেঁষে দালান কেউ করে দোকান ঘর, কেউ কেউ করে সবজির চাষাবাদ, কেউবা খালের মুল অংশ পর্যন্ত মাটি দিয়ে ভরাট করে রেখে। ফলে খালটি অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে খালের মাঝ অংশে মাটি ফেলে ঘিরে রাখে। অন্য অংশ দিয়ে পানি নিস্কাশনে ব্যাঘাত ঘটছে। 

স্থানীয়রা জানান, এখন খাল বেদখল, পানি ও মাছ শুন্য। ক্ষীণধারা বয়ে যাওয়া খালে দুই ধারে এখন গড়া দোকান পাট এবং পাকা দালান। দখল আর দূষণের থাবা থেকে খালটিকে মুক্ত করে খনন করা না হলে আগামীতে এসব খালের কোন স্মৃতি চিহ্ন খোঁজে পাওয়া যাবেনা। প্রতিবর্ষা মৌসুমে পানি সুষ্টভাবে চলাচল করতে না পারায় দু-কুলই পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে। পানি যাতায়াতের সু ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবর্ষা মৌসুমে সারাক্ষন পানিবন্দি থাকে হাটাচলার পথও। বয়োবৃদ্বরা জানান, মাইজ পাড়ার খালটি এক সময় বড় ছিল। খাল দিয়ে নৌকা সাম্পান চলাচল করত। খাল উদ্ধারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তড়িৎ পদক্ষেপ এখন সময়ের গনদাবী।

সূত্র মতে, চলতি বছরের ফ্রেরুয়ারী মাসে মাইজ পাড়া এলাকাবাসী গণস্বাক্ষর সহকারে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন প্রদান করেন খালটি খননের দাবীতে। ১২ জুলাই (রবিবার) ঈদগাঁওর মাইজপাড়ার ভরাখাল পুনঃখননের লক্ষ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা। উপস্থিত ছিলেন, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, মহিলা সদস্য নুর নাহার বেগম, সদস্য বজলুল রশীদ ও আমির হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সচেতন মহল জানান, অবিলম্বে এ খাল দখলমুক্ত করে খননের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা না গেলে এসব খাল অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে। বন্যা ও জলাবদ্বতাসহ নানামুখী দূর্ভোগের কবলে পড়বে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার লোকজন। বিগত প্রায় একযুগ পূর্বে মাইজ পাড়ার খালটি খননের মাঝপথে বাঁধা আসার কারনে আর খনন করা হয়নি খালটি। 

স্থানীয় সাবেক মেম্বার ছুরুত আলম জানান, বৃহত্তর মাইজ পাড়ার খালটি খনন করলে এলাকাবাসীর জন্য সুবিধা হয়। পানি চলাচল না থাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থাকে। ময়লা আবজনাসহ জলাবদ্ধতা থেকে আমরা বাঁচতে চাই। খালটি খনন করে বাঁচার সুযোগ করার দাবী। 

বতমান এমইউপি বজলুল রশিদ জানান, মাইজ পাড়া এলাকার খালটি ভরে গেছে। উত্তর থেকে দক্ষিণের শেষ সীমা পযন্ত খালটি ভরে যাওয়ায় একটু বৃষ্টি হলে বাড়ীঘর পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এ বাইন্যা (ভরা) খালটি খনন করে এলাকাবাসীকে রক্ষা করার দাবী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা