Logo
শিরোনাম
বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে  এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের উপর  হামলা, থানায় এজাহার দায়ের মাদক ও সন্রাস মুক্ত মডেল ইউনিয়ন  গড়ে তুলার অঙ্গিকার :আসন্ন ইউপি নির্বাচন কচুয়াই ইউনিয়ন সদ্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আক্কাস নাইক্ষ্যংছিতে  ৩৪ বিজিবির  উদ্যোগে  চিকিৎসা সেবা, অনুদান ও উপহার সামগ্রী  বিতরণ লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু চকরিয়ায় সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ চমেক ছাত্র আব্দুল ওয়াদুদ সায়েম ঈদগাঁও মধ্যম মাইজ পাড়া সমাজ ঐক্য কমিটি কার্যকরী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে ঘন ঘন লোডশেডিং, চরম বিপাকে ব্যবসায়ীসহ গ্রাহকরা নাইক্ষ্যংছড়ির আশারতলী তাফহীমুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসার দোয়া ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

লামায় ডায়রিয়ার থাবায় একজনের মৃত্যু

ইসমাইলুল করিম লামা

বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম মিনতুই পাড়া ও পমপং পাড়া নামে দুটি ম্রো পাড়ায় ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক।

একজন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লংক্রাত ম্রো।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) রুপসীপাড়া আর্মি ক্যাম্প বিষয়টি অবহিত হয়ে আলীকদম সেনা জোনকে জানায়, পরে আলীকদম সেনা জোনের একটি মেডিকেল টিম দুপুরে রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড় কলারঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে।

মেডিকেল ক্যাম্পে মিনতুই ও পমপং ম্রো পাড়াসহ আশপাশের মোট ১২৫ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

আলীকদম জোনের ক্যাপ্টেন নুরুজ্জামান তুর্যের নেতৃত্বে মেডিকেল টিম দুটি ম্রো পাড়ার ৩৩ জন শিশু, ৪৬ জন নারী, ৩৬ জন পুরুষকে চিকিৎসা দেয়। যাদের ৬০ শতাংশ ডায়রিয়ার রোগী। পাশাপাশি ১০ জন বাঙালি নারী-পুরুষ মেডিকেল ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা নেয়।

এদিকে অবস্থার অবনতি হওয়া দুটি ম্রো পাড়ার ৩৩ জনকে লামা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যার মধ্যে ২০ জনই ডায়রিয়ার রোগী বলে জানান লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাইনুদ্দিন মাজেদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ভর্তি রোগীদের নিবিড় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া আক্রান্ত। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও বয়স্ক।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোবিন বলেন, হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোরে প্রতিদিন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসাসেবা নিতে ভিড় জমাচ্ছেন।

এক সপ্তাহ ধরে ডায়রিয়া রোগীর চাপ বেড়েছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগের ওষুধের কোনো সংকট নেই। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৫০টি হলেও অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ায় মেঝেতেও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!